ঢাকা | বঙ্গাব্দ

কর্ণফুলীতে ক্যাবলসহ আটক দুজন এএসআইয়ের বিরুদ্ধে ৪০ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 16, 2026 ইং
কর্ণফুলীতে ক্যাবলসহ আটক দুজন এএসআইয়ের বিরুদ্ধে ৪০ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ ছবির ক্যাপশন: কর্ণফুলীতে ক্যাবলসহ আটক দুজন এএসআইয়ের বিরুদ্ধে ৪০ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ
ad728
কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) উপজেলা সংবাদদাতা 

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কথিত চোরাই ক্যাবল কেনাবেচার সময় দুই ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে চুরির নিয়মিত মামলা না দিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ অধ্যাদেশের ৮৮ ধারায় নন-এফআইআর প্রসিকিউশনের মাধ্যমে আদালতে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় কর্ণফুলী থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ৪০ হাজার টাকা আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। 

গত ১৩ অক্টোবর রাতে ক্যাবল কেনাবেচার সময় দিল আহমদ (৪০) ও মো. কাইয়ুম (৩৮) নামের দুই ব্যক্তিকে ক্যাবলসহ আটক করেন এএসআই মিজানুর রহমান। পরে তাঁদের থানায় নেওয়া হয়।

কর্ণফুলী থানা-পুলিশের প্রকাশিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আটক দুজনকে নন-এফআইআর প্রসিকিউশন নম্বর ২৩৯/২০২৬-এর মাধ্যমে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ অধ্যাদেশ, ১৯৭৮-এর ৮৮ ধারায় আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, দুই ব্যক্তিকে আটকের পর তাঁদের বিরুদ্ধে নিয়মিত চুরির মামলা না দিয়ে ৮৮ ধারায় প্রসিকিউশন দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৪০ হাজার টাকা লেনদেন হয়েছে। তবে এ অভিযোগের পক্ষে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। কথিত লেনদেনের সঙ্গে আইনি পদক্ষেপের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা-ও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এএসআই মো. মিজানুর রহমান দুই ব্যক্তিকে আটকের কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, তদন্তে তাঁদের কাছে থাকা ক্যাবল তাঁদের নিজেদের মালামাল বলে প্রমাণিত হয়েছে। উদ্ধার করা ক্যাবল থানায় রয়েছে বলেও জানান তিনি।

আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে কি না জানতে চাইলে এএসআই মিজানুর রহমান বলেন, তাঁদের নামে কোনো মামলা হয়নি। তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও অস্বীকার করেন তিনি।

তবে থানা-পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দুই ব্যক্তিকে ৮৮ ধারায় নন এফআইআর প্রসিকিউশনের মাধ্যমে আদালতে পাঠানো হয়েছে। নিয়মিত মামলা না হওয়া এবং প্রসিকিউশনের মাধ্যমে আদালতে পাঠানো এক বিষয় নয়। ফলে এএসআইয়ের বক্তব্যে আদালতে পাঠানোর বিষয়টি স্পষ্ট না হওয়ায় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।


কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর আহমদ বলেন, আটক ব্যক্তিদের কাছে থাকা ক্যাবল তাঁদের দোকানের মালামাল বলে তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তাঁকে জানিয়েছেন। সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরার কারণে তাঁদের ৮৮ ধারায় আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এএসআই মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগের বিষয়ে ওসি বলেন, তিনি বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইবেন।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
প্রধান উপদেষ্টাকে মার্চে বেইজিং সফরে নিতে আগ্রহী চীন

প্রধান উপদেষ্টাকে মার্চে বেইজিং সফরে নিতে আগ্রহী চীন