আব্দুল ওয়াহাব, লোহাগাড়া প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলা খাঁস জায়গার পাহাড়ের রাতের আধারে মাটি কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন ও মোহাম্মদ কফিল উদ্দীনের বিরুদ্ধে। উপজেলার পুটিবিলা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড আশ্রয়ন প্রকল্পের দক্ষিণ পাশে এলাকায় । সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় পাহাড়ের মাটি কেটে নেওয়ার সত্যতা ও পাওয়া যায়। ঝুঁকিতে পড়েছে আশেপাশের কয়েকটি পরিবার।
অভিযোগ কারী মোহাম্মদ আনোয়ার বলেন পাহাড় কাটার বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর অভিযোগ দিয়েছি । একই এলাকার আহমদ কবিরের ছেলে মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (২৮) ও মোহাম্মদ কফিল উদ্দিনের (৩৩) বিরুদ্ধে ।
তিনি বলেন, পাহাড়ি উঁচু জায়গায় আমরা প্রায় ২০ বছর ধরে পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছি। গত ১৮ মার্চ রাত ১১টার দিকে স্কেভেটর দিয়ে পাহাড়ের মাটি কাটা শুরু হয়। এই পাহাড় কাটা চলে ভোরের আগ পর্যন্ত। এরপর ড্রাম্প ট্রাক ভর্তি করে মাটি সরিয়ে নেওয়া হয়। মাটি কাটার পর পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়। ১৯ মার্চ আমার বসতবাড়ির সঙ্গে লাগোয়া আনুমানিক ৩০ ফুট গভীর করে একই কায়দায় মাটি কেটে নিয়ে যাওয়া হয়। এ অবস্থায় যেকোনো মুহূর্তে আমার বসতঘরটি পড়ে যেতে পারে। দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা।
স্থানীয় কয়েকজন বলেন, এভাবে পাহাড় কেটে ফেলায় বৃষ্টি হলে যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যাবে চলাচলের রাস্তা। এতে দুর্ভোগে পড়বে ৮০/৯০টি পরিবার।
অভিযুক্ত মোহাম্মদ কফিল উদ্দিন জানান আমার আগের বাড়ি টি খারাপ অবস্তা সেখানে থাকার মত নয় নতুন বাড়ি করার জন্য পাহাড় টি কাটা হয়ছে । আমার দখলীয় জায়গা থেকে মাটি কেটে নিচ্ছে তখন কেউ বাধা দেয়নি ।
এ বিষয়ে নির্বাহী অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, পাহাড়, টিলা এবং ফসলি জমির টপ সয়েল কাটা সম্পূর্ণ অন্যায়। এবিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট