চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাবেক ভিসি হাসিবুর রশীদসহ ৩০ আসামির বিরুদ্ধে আজ ১৪তম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।
রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে এ সাক্ষ্য পেশ হবে। এদিন নতুন একজন সাক্ষীর জবানবন্দি নেওয়ার কথা থাকলেও এর আগে ১৬ নম্বর সাক্ষী পুলিশের নায়েক আবু বকর সিদ্দিকের অসমাপ্ত জেরা শেষ করবেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।
গত ১৩ নভেম্বর তিনি প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে হত্যাকাণ্ডের আগের ও পরের বিবরণ দেন। এর আগে ১২ নভেম্বর এসআই (সশস্ত্র) মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, রংপুর কোতোয়ালি জোনের তৎকালীন এসি আরিফুজ্জামান ও তাজহাট থানার ওসি রবিউল ইসলামের নির্দেশে চালানো গুলিতে আবু সাঈদ নিহত হন।
১১ নভেম্বর সাক্ষ্য দেন রংপুর কারমাইকেল কলেজের শিক্ষার্থী ইমরান আহমেদ; ১০ নভেম্বর জবানবন্দি দেন আন্দোলনের নেতৃস্থানীয় কর্মী আকিব রেজা খান। সাক্ষী না আনতে পারায় ৪ নভেম্বর, ২১ ও ১৩ অক্টোবর তিন দফায় সময় পেছাতে হয়।
৬ অক্টোবর নবম দিনের সাক্ষ্যে পুলিশের দুই উপপরিদর্শক—এসআই রফিক ও এসআই রায়হানুল রাজ দুলাল—জবানবন্দি দেন। ২৮ আগস্ট আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেনের জবানবন্দির মধ্য দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।
মামলায় গ্রেপ্তার ছয় আসামির উপস্থিতিতে সাক্ষীরা সাক্ষ্য দিচ্ছেন। অন্যদিকে সাবেক ভিসিসহ ২৪ জন এখনও পলাতক। তাদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীরা শুনানি করছেন।
৩০ জুন অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল; ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে ফর্মাল চার্জ গঠন করা হয়। মোট ৬২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের কথা রয়েছে।

দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট