ঢাকা | বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে গ্রেফতার বিদেশি প্রতারক চক্রের আস্তানা ছিল কক্সবাজারেও

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Sep 14, 2026 ইং
চট্টগ্রামে গ্রেফতার বিদেশি প্রতারক চক্রের আস্তানা ছিল কক্সবাজারেও ছবির ক্যাপশন: চট্টগ্রামে গ্রেফতার বিদেশি প্রতারক চক্রের আস্তানা ছিল কক্সবাজারেও
ad728
নিউজ ডেস্ক (চট্টগ্রাম)
শুধু চট্টগ্রামে নয়, চট্টগ্রামে গ্রেফতার আন্তর্জাতিক প্রতারক চক্রের সদস্যদের কক্সবাজারেও একটি আস্তানা ছিল। দুই জায়গায় বসেই তারা বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করত।

এই অপকর্মের তদন্ত করতে গিয়ে ‘কেঁচো খুঁড়তে যেন সাপ বের হয়ে আসছে।’ এটি কোকেন মামলার তদন্ত করতে গিয়ে আন্তর্জাতিক এই প্রতারক চক্রের সন্ধান পায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এরপর চক্রের সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযানে নামে পুলিশের বিশেষ টিম কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট (সিটিইউ) ও খুলশি থানা পুলিশ।

কেবল বিদেশি নাগরিকরা নয়; এই চক্রের মূল হোতা বাংলাদেশেরই একজন নাগরিক। তার নাম মোহাম্মদ মহসিন। শনিবার রাতে খুলশি এলাকা থেকে পুলিশের একটি টিম তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

মহসিনের পেছনে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা সেটিও তদন্ত করছে পুলিশ।

মহসিনের বাড়ি লক্ষ্মীপুরে। তিনি চট্টগ্রাম নগরীর কর্ণফুলী এলাকায় একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেন। ৬৩ বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে তার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। এই মহসিনের মাধ্যমেই খুলশিতে আটতলা ভবনটি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। বিদেশি নাগরিকদের পাসপোর্টও তার কাছে জমা ছিল। তাকে ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে খুলশি থেকে ৬৩ বিদেশি নাগরিকের কাছ থেকে যেসব ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছিল সেসব ডিভাইস ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য সিআইডির ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।

খুলশি থানা পুলিশ জানায়, মহসিনের বিরুদ্ধে ১১৮ গ্রাম কোকেন সংক্রান্ত একটি মামলা ছিল। ওই মামলা তদন্ত করতে গিয়ে চক্রের সন্ধান মেলে। গ্রেফতার মহসিনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে চালান দেওয়া হয়েছে। তাকে ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়েছে। রিমান্ডে ৬৩ বিদেশি নাগরিকের ব্যাপারেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। মহসিনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে ৮-৯ জন বিদেশি নাগরিকের পাসপোর্টের ছবি পাওয়া গেছে। সেই ৬৩ বিদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে দায়ের করা সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলায়ও মহসিনকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন জানানো হবে।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, আগে বিদেশিরা দেশে বৈধভাবে প্রবেশ করে অবৈধভাবে বসবাস করতেন শুধু ঢাকা ও তার আশপাশে। কিন্তু ঢাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপর থাকায় তারা চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে আস্তানা গাড়েন। কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে ঢাকার তুলনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা কিছুটা কম। এছাড়া এই দুই শহরে যোগাযোগের সুবিধা রয়েছে। পাশাপাশি নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাও শক্তিশালী।



নিউজটি পোস্ট করেছেন : দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট

কমেন্ট বক্স
দক্ষতা উন্নয়নে নজর কম, ফ্রিল্যান্সার তৈরির হিড়িক

দক্ষতা উন্নয়নে নজর কম, ফ্রিল্যান্সার তৈরির হিড়িক