নিউজ ডেস্ক (চট্টগ্রাম)
চট্টগ্রাম নগরীর দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধানে সংশ্লিষ্ট সব সেবা সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, পরিকল্পিত খাল পুনরুদ্ধার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং সমন্বিত মনিটরিং ব্যবস্থার মাধ্যমে চট্টগ্রামকে জলাবদ্ধতামুক্ত নগরীতে পরিণত করা হবে।
বুধবার টাইগারপাসস্থ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে চসিকের সার্বিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে গঠিত কমিটির ৮ম সাধারণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে মেয়র এসব কথা বলেন। সভায় বিভিন্ন সরকারি সংস্থা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, চসিকের বিভাগীয় প্রধান, ম্যাজিস্ট্রেট ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মেয়র বলেন, গত শুক্রবারের টানা তিন থেকে চার ঘণ্টার ভারী বর্ষণের পরও নগরীর অধিকাংশ এলাকায় পানি জমে থাকেনি। শুধুমাত্র কাতালগঞ্জ এলাকায় চলমান হিজড়া খাল সংস্কারকাজের কারণে কিছু সময় পানি জমে থাকলেও বৃষ্টি শেষ হওয়ার আধা ঘণ্টার মধ্যেই পানি নেমে গেছে। এটি নগরীর ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নের ইতিবাচক ফলাফল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, “গত এক দশকে মুরাদপুর, বহদ্দারহাট, চকবাজার, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ ও কাতালগঞ্জসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই দীর্ঘ সময় জলাবদ্ধতা দেখা যেত। কিন্তু গত বছর এসব এলাকার অধিকাংশ স্থানে জলাবদ্ধতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এ কারণেই আমরা বলেছি, চট্টগ্রামে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ জলাবদ্ধতা কমাতে সক্ষম হয়েছি।”
ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পে ৩৬টি খালের কাজ হলেও বাস্তবে চট্টগ্রাম নগরীতে আরো অনেক খালের অস্তিত্ব রয়েছে। বহু খাল দখল, ভরাট ও অবৈধ স্থাপনার কারণে তাদের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তাই শুধুমাত্র পূর্বনির্ধারিত ২১টি নয়, নতুন পরিকল্পনায় ৪০টিরও বেশি খালকে অন্তর্ভুক্ত করে ডিপিপি প্রস্তুত করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, “এই ৪০টির বেশি খাল পুনরুদ্ধার ও সংস্কার কাজ সম্পন্ন করতে পারলে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে জলাবদ্ধতা পর্যবেক্ষণের জন্য বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করা হচ্ছে। কোথায় কতক্ষণ পানি জমে থাকে, তার কারণ কী, ড্রেনেজ সমস্যা নাকি অবৈধ দখল—এসব তথ্য সংগ্রহ করে তাৎক্ষণিক সমাধান করা হবে।
সভায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, নগরীর ক্রমবর্ধমান বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন ল্যান্ডফিল অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে। বর্তমানে আরেফিননগর ও হালিশহরে দুটি ল্যান্ডফিল থাকলেও ভবিষ্যৎ চাহিদা পূরণে আরও প্রায় ১০০ কানি জমি প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে জমি ক্রয়ের উদ্যোগ চলমান রয়েছে।
ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও জিকা ভাইরাস প্রতিরোধে গৃহীত কার্যক্রম তুলে ধরে মেয়র বলেন, গত ডিসেম্বর থেকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত আমেরিকান প্রযুক্তিনির্ভর বিটিআই (Bacillus thuringiensis israelensis) লার্ভিসাইড ব্যবহার শুরু হয়েছে। এর ফলে গত ছয় মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে এবং মৃত্যুহার শূন্যে নেমে এসেছে।
তিনি বলেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। বাসা-বাড়ি, নির্মাণাধীন ভবন, ছাদ, টব, প্লাস্টিকের বোতল কিংবা অল্প পরিমাণ জমে থাকা পানিতেও এডিস মশার লার্ভা জন্ম নিতে পারে। তাই নাগরিকদেরও সচেতন হতে হবে।”
সভায় নগরীর অবৈধ দখল, ফুটপাত দখল, যানজট ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়। মেয়র ট্রাফিক বিভাগ, ম্যাজিস্ট্রেসি টিম ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন। তিনি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকা, কাজীর দেউড়ি, নিউমার্কেট, আগ্রাবাদ, পতেঙ্গা ও ফয়’স লেকসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারির আহ্বান জানান।
কিশোর গ্যাং, মাদক ও সামাজিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করে মেয়র বলেন, “নগরীকে নিরাপদ শহরে পরিণত করতে হলে মাদক, কিশোর অপরাধ ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করতে হবে।”
তিনি জানান, যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে ৪১টি ওয়ার্ডে পর্যায়ক্রমে খেলার মাঠ উন্নয়ন, ওয়াকওয়ে, ফ্লাডলাইট ও ক্রীড়া অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি শ্রমজীবী পরিবারের শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ডে-কেয়ার সেন্টার এবং ভবঘুরে ও মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য পুনর্বাসন ও সেবাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নগরের খাল, নালা, সড়ক ও ফুটপাত হতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ সংক্রান্ত আলোচনায় চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন বলেন, নগরের ফুটপাত ও সড়ক অবৈধ দখলমুক্ত করতে জরিমানার হার খুবই নগণ্য। ম্যাজিস্ট্রেটরা উচ্ছেদ করে আসার পর বিকেলেই হকাররা আবার বসে যাচ্ছে। তাই এখন থেকে শুধু উচ্ছেদ নয়, প্রয়োজনে জরিমানা করতে হবে।
“এছাড়া বিভিন্ন নির্মাণাধীন ভবনে পরিদর্শনের সময় প্রচুর মশার লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ডেভেলপার ও ভবন মালিকদের জরিমানার আওতায় না আনলে তারা সচেতন হবে না। বিশেষ করে মুরাদপুর ও বিভিন্ন মার্কেট এলাকার মতো যেসব জায়গায় বারবার উচ্ছেদ করা হয়, সেখানে এখন থেকে নিয়মিত জরিমানার আইন প্রয়োগ করতে হবে। এমনকি যারা সড়কের আইল্যান্ড বা ফুটপাতের বাগানে ময়লা ফেলছে, তাদের চিহ্নিত করে জরিমানা করতে হবে এবং তা গণমাধ্যমে প্রচার করতে হবে যেন জনসচেতনতা তৈরি হয়।”
কিশোর গ্যাং ও আবাসিক এলাকার সড়ক সংক্রান্ত সমস্যা বিষয়ে তিনি বলেন, হালিশহর ও ফয়েজলেকসহ বিভিন্ন রেসিডেন্সিয়াল এলাকায় কিশোরদের গ্যাং কালচার ও মারামারি প্রকট আকার ধারণ করেছে, যা সাধারণ নাগরিকদের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এ বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি, অনেক আবাসিক এলাকায় নিজস্ব পকেট গেটগুলো বন্ধ করে রাখার কারণে সিটি কর্পোরেশনের অভ্যন্তরীণ সড়কগুলো ব্যবহার করা যাচ্ছে না, ফলে মূল সড়কগুলোতে তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এই গেটগুলো উন্মুক্ত করার বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।"
রোড মিডিয়ান (মিড আইল্যান্ড) সৌন্দর্যবর্ধন ও বৃক্ষরোপণ সংক্রান্ত আলোচনায় প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, নগরের মিড আইল্যান্ডগুলোতে গাছ লাগানোর পাশাপাশি সেগুলোর সুরক্ষায় স্টিল, লোহা বা এমন কোনো উপাদানের বেষ্টনী দিতে হবে যা সহজে চুরি হবে না। ফ্লাইওভারের নিচের অংশগুলোতে আলো-বাতাস এবং পর্যাপ্ত বৃষ্টির পানি না পাওয়ার কারণে ইতোমধ্যে লাগানো অনেক গাছই মারা যাচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। শুধু চসিকের মালিদের ওপর নির্ভর করে এত বিশাল এলাকার গাছের পরিচর্যা ও পানি দেওয়া সম্ভব নয়।
“ঢাকার আদলে চট্টগ্রামের নির্দিষ্ট কিছু এলাকার সড়ক বিভাজকের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব বিভিন্ন সরকারি সংস্থাকে দেওয়া যেতে পারে। মেয়র মহোদয়ের পক্ষ থেকে ডিও লেটার দেওয়া হলে আমরা সরাসরি যোগাযোগ করে তাদের মাধ্যমে ওই এলাকার রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে পারি। এছাড়া চসিকের ওয়াটার বাউজার এবং ফায়ার ব্রিগেডের সহায়তায় নিয়মিত পানি দেওয়ার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। মালিদের কর্মপরিধি ঢেলে সাজানোর প্রস্তাব দিয়ে তিনি বলেন, চসিকের বর্তমান ৫০-৬০ জন মালিকে ৪১টি ওয়ার্ডে সুনির্দিষ্টভাবে ভাগ করে দেওয়া হোক। একেকজন মালিকে নির্দিষ্ট এলাকার আইল্যান্ডের দায়িত্ব দেওয়া হবে, যার মূল কাজই হবে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শুধু ওই অংশের গাছের যত্ন নেওয়া এবং পানি দেওয়া। এতে জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।"
নগরের সামাজিক অপরাধ দমন, মানসিক বিকারগ্রস্তদের পুনর্বাসন এবং ডে-কেয়ার ও ওল্ড এজ হোম প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত আলোচনায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে কুলসুমের বলেন, নগরের আইনশৃঙ্খলা ও কিশোর গ্যাং দমনের পাশাপাশি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মানবিক ইস্যু হচ্ছে শহরে ভবঘুরে ও মানসিক বিকারগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়া। সমাজসেবা অধিদপ্তরের বিদ্যমান 'ভবঘুরে আইন'-এর আওতাভুক্ত করে এদেরকে পুনর্বাসন ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। চট্টগ্রাম নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও জননিরাপত্তার স্বার্থে এদের চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং যথাযথ ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা প্রয়োজন।
জবাবে মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের (OCC) বিগত ৭-৮ বছরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ১২ বছরের কম বয়সী শিশু ধর্ষণের ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। এর মূল কারণ—শ্রমজীবী বাবা-মা জীবিকার তাগিদে বাইরে যাওয়ার সময় শিশুদের যথাযথ তত্ত্বাবধানে রেখে যেতে পারেন না। সুযোগসন্ধানী ও অপরাধী চক্র এসব অসহায় শিশুদের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালাচ্ছে।
এই সংকট দূরীকরণে 'ডে-কেয়ার সেন্টার' গড়ে তোলা হবে। ভবঘুরে ও মানসিক বিকারগ্রস্তদের চিকিৎসার জন্য একটি 'মানসিক রোগ বিকাশ কেন্দ্র' এবং প্রবীণদের জন্য 'জেরিয়াট্রিক কেয়ার' বা ওল্ড এজ হোম নির্মাণ করা হবে। পোশাক শিল্পে কর্মরত নারী শ্রমিকদের সন্তানদের সুরক্ষায় প্রতিটি ফ্যাক্টরিতে বাধ্যতামূলক 'ডে-কেয়ার সেন্টার' স্থাপন নিশ্চিত করতে সরকারের উদ্যোগ কামনা করছি। চসিকের পক্ষ থেকে শিগগিরই বিজিএমইএ ও গার্মেন্টস মালিকদের সাথে এ বিষয়ে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হবে।
নগরের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, মেডিকেল এলাকাকে ‘জিরো ট্রাফিক জোন’ ঘোষণা ও হকার উচ্ছেদ প্রসঙ্গে সিএমপি’র ট্রাফিক বিভাগের সহায়তা চেয়ে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বৃহত্তর চট্টগ্রামের রোগীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ওলিখা মসজিদ থেকে প্রবর্তক মোড় পর্যন্ত এলাকাকে 'জিরো ট্রাফিক জোন' করা হবে। এই সড়কের পাশে কোনো অ্যাম্বুলেন্স, লাশের গাড়ি, রিকশা, সিএনজি বা ভাসমান ডাব বা ফলের দোকান দাঁড়াতে পারবে না। বিশেষ করে বিকেল ৪টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বেসরকারি হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের চেম্বারে রোগীর স্বজনদের অতিরিক্ত ভিড় থাকে। এই সময়ে ট্রাফিক পুলিশ কঠোর অবস্থানে থাকতে হবে। । অলিখাঁ মসজিদ থেকে প্রবর্তক পর্যন্ত ফুটপাতে পথচারীদের হাঁটার জন্য স্টিল বা লোহার নান্দনিক স্ট্রাকচার ও ফুলের টব দেওয়া হবে, দেয়ালগুলো গ্রাফিতির মাধ্যমে সাজানো হবে। সড়ক থেকে ফুটপাতের ডাব ও ফল বিক্রেতাদের উচ্ছেদ করে চমেক হাসপাতালের পূর্ব গেটে নির্দিষ্ট স্থানে পুনর্বাসন করা হবে।
সভায় বিগত সভার কার্যবিবরণী অনুমোদন দেয়া হয়। সভায় জানানো হয় আগামী ২৭ জুন তারিখে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় ভিটামিন “এ” প্লাস ক্যাম্পেইন ২০২৬ ক্যাম্পেইনে ৫,৬৪,০০০ (পাঁচ লক্ষ চৌষট্টি হাজার) শিশুকে টিকা খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সভায় কমিটির সদস্যবৃন্দ জলাবদ্ধতা নিরসনে গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রম, নগরীর বিভিন্ন খাল-নালায় নিরাপত্তা বেষ্টনী স্থাপন, নগরীর ক্ষতিগ্রস্থ বিভিন্ন সড়ক সংস্কার ও উন্নয়ন বিষয়ে আলোচনা করেন।
দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট