নিউজ ডেস্ক (চট্টগ্রাম)
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী পৌরসভায় স্বামীর কোদালের কোপে নুরহাবা (২৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী মো. সলিমকে (২৪) আটক করেছে চন্দনাইশ থানা পুলিশ।
বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে দোহাজারী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের উল্লাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, নিহত নুরহাবা ও অভিযুক্ত সলিম দুজনই কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১-এর বাসিন্দা। তারা বর্তমানে দোহাজারী পৌরসভার উল্লাপাড়ায় আইয়ুব আলী সওদাগরের বাড়িতে ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সলিম নিয়মিত কাজ না করায় স্ত্রী নুরহাবা তাকে কাজ না করার বিষয়ে প্রশ্ন করেন। একপর্যায়ে নুরহাবা স্বামীকে ‘কেন ফেরত এসেছ’ এমন প্রশ্ন করলে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে সলিম উত্তেজিত হয়ে কোদাল দিয়ে স্ত্রীকে আঘাত করেন। এতে নুরহাবা গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দোহাজারী হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে চন্দনাইশ থানা পুলিশ অভিযুক্ত সলিমকে আটক করে। পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।
আটক সলিম কুতুপালং ক্যাম্প-১-এর আব্দুল আমিনের ছেলে। তার মা ফাতেমা মারা গেছেন। বর্তমানে তিনি দোহাজারী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের উল্লাপাড়া এলাকায় আইয়ুব আলী সওদাগরের বাড়ির টিনশেড ভাড়া বাসায় স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করতেন। নিহত নুরহাবা একই ক্যাম্পের মৃত এরশাদ উল্লাহর মেয়ে। তিনি সলিমের স্ত্রী ছিলেন।
আনোয়ারা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান বলেন, চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারীতে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুনের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট