ঢাকা | বঙ্গাব্দ

চোরাই স্বর্ণালংকার বিক্রির ১৫ লাখ টাকা মিললো চালের ড্রামে, গ্রেফতার ৭

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Sep 4, 2026 ইং
চোরাই স্বর্ণালংকার বিক্রির ১৫ লাখ টাকা মিললো চালের ড্রামে, গ্রেফতার ৭ ছবির ক্যাপশন: চোরাই স্বর্ণালংকার বিক্রির ১৫ লাখ টাকা মিললো চালের ড্রামে, গ্রেফতার ৭
ad728
নিউজ ডেস্ক (চট্টগ্রাম) 

চট্টগ্রাম নগরের আকবরশাহ এলাকায় চুরির ঘটনায় একটি চক্রের সাত সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সেই সঙ্গে চুরি করা স্বর্ণালংকার বিক্রির ১৫ লাখ ১১ হাজার ৮০০ টাকা, সাত ভরি স্বর্ণালংকার ও বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আলমগীর হোসেন এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান
পুলিশ জানায়, গত ২৮ জুলাই দুপুরে আকবরশাহ থানার সিটি গেট এলাকার একটি বাসায় চুরি হয়। ওই সময় বাসার মালিক ব্যবসায়ী মো. আলমগীর মিয়া স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতালে গিয়েছিলেন। দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে দেড়টার মধ্যে চোররা দরজার হুক কেটে ঘরে প্রবেশ করে আলমারি ভেঙে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা, সৌদি রিয়াল ও একটি আইফোন নিয়ে যায়। একই সময়ে পাশের বাসা থেকেও নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন চুরি হয়।

এ ঘটনায় আলমগীর মিয়া বাদী হয়ে ৩১ জুলাই আকবরশাহ থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তকালে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চোর চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে পুলিশ। পরে গত ৬ আগস্ট ডবলমুরিং থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে জসিম উদ্দিন ওরফে জসিম ও মোস্তাকিন হোসেন মিঠুকে গ্রেফতার করা হয়।
তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৭ আগস্ট কোতোয়ালি থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সেতু দাস ওরফে সালাউদ্দিন, মোহাম্মদ আলী ও দেবব্রত বণিক ওরফে বলাই বণিককে গ্রেফতার করা হয়। পরে ১০ আগস্ট ডবলমুরিং থানা এলাকা থেকে মো. ইসমাইল এবং ১৯ আগস্ট ফারজানা বেগমকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতার মোহাম্মদ আলীকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য ও শনাক্তের ভিত্তিতে বাসায় অভিযান চালিয়ে ড্রামের ভেতরে চালের মধ্যে পলিথিনে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ১৫ লাখ ১১ হাজার ৮০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। এসময় স্বর্ণ পরিমাপের একটি নিক্তি ও একটি স্যামসাং মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া মোহাম্মদ আলীর তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার তাঁতীবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুটি নেকলেস, তিনটি চেইন, এক জোড়া কানের দুল ও একটি আংটিসহ মোট সাত ভরি স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। এসময় আরও একটি স্যামসাং মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

সিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আলমগীর হোসেন জানান, মোহাম্মদ আলী ও ফারজানা বেগম আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। গ্রেফতারদের মধ্যে সেতু দাসের বিরুদ্ধে ছয়টি, জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে ছয়টি, মোস্তাকিন হোসেন মিঠুর বিরুদ্ধে নয়টি এবং মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে মাদক, চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে সাতটি মামলা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, চুরি হওয়া বাকি মালামাল উদ্ধার এবং এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট

কমেন্ট বক্স
সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের আহ্বান ডিআরইউয়ের

সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের আহ্বান ডিআরইউয়ের