ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ডিসেম্বরের মধ্যেই চট্টগ্রামের বড় প্রকল্পগুলোর কাজ শেষ হবে

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : May 22, 2026 ইং
ডিসেম্বরের মধ্যেই চট্টগ্রামের বড় প্রকল্পগুলোর কাজ শেষ হবে ছবির ক্যাপশন: ডিসেম্বরের মধ্যেই চট্টগ্রামের বড় প্রকল্পগুলোর কাজ শেষ হবে
ad728
নিউজ ডেস্ক (চট্টগ্রাম) 
চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প এবং এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মতো বড় উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর কাজ শতভাগ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চলমান এসব প্রকল্প দ্রুত শেষ করে জনগণকে পূর্ণ সুফল দিতে সরকার কাজ করছে।
আজ (বৃহস্পতিবার) চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার নুরুল করিম উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, হাজার হাজার কোটি টাকার এসব প্রকল্প গত আট-দশ বছর ধরে চলমান রয়েছে। বর্তমানে অধিকাংশ প্রকল্পের ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ কাজ শেষ হলেও ছোটোখাটো কিছু জটিলতার কারণে জনগণ এখনো পুরো সুফল পাচ্ছে না। এবারের চট্টগ্রাম সফরের মূল উদ্দেশ্যই হলো এসব আটকে থাকা কাজের সমাধান করা।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম ওয়াসার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং আগামী ৩০ জুনের মধ্যে তাদের অংশের কাজ শেষ করার আশ্বাস পাওয়া গেছে। এ ছাড়া, ফ্লাইওভারের র‍্যাম্পের কাজ আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা সেপ্টেম্বরের মধ্যেই সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প প্রসঙ্গে সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের (৩৪ ইসিবি) বরাতে মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পের ৯৫ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, চলতি বর্ষাতেই নগরবাসী এর সুফল পেতে শুরু করবে।

সিডিএ’র জলাবদ্ধতা প্রকল্প খণ্ডিতভাবে বাস্তবায়নের কারণে সুফল নিয়ে শঙ্কা প্রসঙ্গে জাকারিয়া তাহের বলেন, সিডিএ’র পাশাপাশি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনও ২১টি ছোট খাল নিয়ে কাজ করছে। এটি একটি সমন্বিত উদ্যোগ। কোথাও কোনো ত্রুটি থাকলে তা দ্রুত সমাধান করা হবে।

অনুমোদিত নকশা লঙ্ঘন করে ভবন নির্মাণের বিষয়ে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথাও জানান গণপূর্তমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভবন নির্মাণে সরকারের পক্ষ থেকে শূন্য সহনশীলতা নীতি অনুসরণ করা হবে। এখন থেকে শুধু আর্কিটেকচারাল ড্রয়িং নয়, আর্কিটেকচারাল, স্ট্রাকচারাল, ইলেকট্রোমেকানিক্যাল ও প্লাম্বিংসহ পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা একসঙ্গে জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ভবনের কাজ শেষ হওয়ার পর অকুপেন্সি সার্টিফিকেট বা বসবাস উপযোগী সনদ দেওয়া হবে। অনুমোদিত প্ল্যানের ব্যত্যয় ঘটলে এই সনদ দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে অকুপেন্সি সার্টিফিকেট ছাড়া ভবনে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির মতো কোনো ইউটিলিটি সংযোগও দেওয়া হবে না।
অতীতে আইন অমান্য করে গড়ে ওঠা ভবনগুলোর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের বয়স মাত্র তিন মাস। অতীতে কী ঘটেছে, তা নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না। তবে যারা প্ল্যানের ব্যত্যয় ঘটিয়েছেন, তাদের কীভাবে আইনের আওতায় আনা যায়, তা খতিয়ে দেখা হবে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট

কমেন্ট বক্স
সংস্কার কমিশনে ২২ দফা সংস্কার প্রস্তাবনা দিলো মুক্ত গণমাধ্য

সংস্কার কমিশনে ২২ দফা সংস্কার প্রস্তাবনা দিলো মুক্ত গণমাধ্য