এস এম খালেদ হক,
বিশেষ প্রতিনিধি, দৈনিক চট্টগ্রাম পোষ্ট
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করছেন তথ্য সংগ্রহকারীরা। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে উপজেলার সব পরিবারের তথ্য সংগ্রহ ও অনলাইন ডেটাবেইজে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বাঁশখালী উপজেলায় এ কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহের জন্য ১৮৩ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ১৯ জন সুপারভাইজার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে প্রথম পর্যায়ে ১৩ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও দুজন সুপারভাইজারকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তারা শীলকূপ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড, সাধনপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড এবং বাঁশখালী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করেছেন।
প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মীরা বিশেষায়িত ট্যাবলেট ডিভাইস ও মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করবেন। সংগৃহীত তথ্য সরাসরি অনলাইন ডেটাবেইজে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বাকি তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের ট্যাবলেট সরবরাহের পর প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর কমিউনিটি রিপোর্ট অনুযায়ী, বাঁশখালী উপজেলায় মোট খানা বা পরিবারের সংখ্যা ১ লাখ ১১ হাজার ৭৬৫। ডিসেম্বরের মধ্যে এসব পরিবারের তথ্য সংগ্রহ ও ডেটাবেইজে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পরে প্রক্সি মিন্স টেস্ট (পিএমটি) পদ্ধতিতে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা যাচাই করে ভাতা পাওয়ার যোগ্য উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে।
ফ্যামিলি কার্ডে ডুয়াল চিপ, কিউআর কোড ও নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন (এনএফসি) প্রযুক্তি থাকবে। কার্ডটি সরকারের টাকাপের পেমেন্ট ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। এর মাধ্যমে উপকারভোগীরা ব্যাংকের এটিএম বুথ, বিপণিবিতানের পয়েন্ট অব সেলস (পিওএস) এবং মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের (এমএফএস) মাধ্যমে ভাতার অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন।
কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য মোবাইল সিম কার্ড সংগ্রহ, নেটওয়ার্কভিত্তিক সাইবার নিরাপত্তা, কর্মী ব্যবস্থাপনা এবং নেটওয়ার্ক অপারেশন সেন্টার (এনওসি) কক্ষ স্থাপনের কাজও সম্পন্ন করা হয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট