ঢাকা | বঙ্গাব্দ

শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে জুলাইয়ে চালু হচ্ছে ৫ র‌্যাম্প

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : May 7, 2026 ইং
শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে জুলাইয়ে চালু হচ্ছে ৫ র‌্যাম্প ছবির ক্যাপশন: শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে জুলাইয়ে চালু হচ্ছে ৫ র‌্যাম্প
ad728
নিউজ ডেস্ক (চট্টগ্রাম)

নগরের শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে জুলাইয়ে চালু হবে ৫ র‌্যাম্প। এগুলো হল নিমতলা মোড়ে ওঠানামার দুটি র‌্যাম্প, টাইগারপাসে আমবাগানমুখী নামার একটি র‌্যাম্প, আর দুটি ফকিরহাট ও জিইসি। এ এক্সপ্রেসওয়ে লালখান বাজার থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত সাড়ে ১৫ কিলোমিটার। এক্সপ্রেসওয়ের ব্যবহার বাড়াতে আগামী জুলাইয়ের মধ্যে শেষ হচ্ছে ৫ র‌্যাম্পের কাজ। বাকি ৪ র‌্যাম্পের নির্মাণ কাজও চলতি বছরের মধ্যে শেষ হবে বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। এক্সপ্রেসওয়ের বিভিন্ন অংশে ৯টি র‌্যাম্প নির্মাণে কাজ করছে সিডিএ। এর মধ্যে ৩টির কাজ পুরোপুরি শেষ। শুধুমাত্র আগ্রাবাদ ডেবারপাড়ের র‌্যাম্পের কাজ শুরু হয়নি। বাকি ৫ র‌্যাম্পের কাজ সেপ্টেম্বরে শেষ হবে বলে আশা করছে সিডিএ।

জিইসির র‌্যাম্পের নির্মাণ কাজের অগ্রগতি ৮৫ শতাংশ। ওয়াসা মোড় এলাকায় ওয়াসার একটি রেগুলেটর রয়েছে। এটি সরাতে আরো ১০ দিন সময় লাগবে। এছাড়া এই র‌্যাম্পের জিইসি এলাকায় ৬টি দোকান অপসারণ করতে হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৩টি দোকান অপসারণ করা হয়েছে। এছাড়াও জিইসি অংশে একটি বিদ্যুতের খুঁটিও রয়েছে। যার কারণে র‌্যাম্পের কাজে সময় লাগছে বলে জানিয়েছে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান-২০২৩ সালের ১৪ নভেম্বর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন করা হয়। তবে মূল অংশে পরীক্ষামূলকভাবে গাড়ি চলাচল শুরু হয় গত বছরের আগস্টের শেষ সপ্তাহে। আনুষ্ঠানিকভাবে টোল পরিশোধের মাধ্যমে গাড়ি চলাচল করছে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে। তবে ৯টি র‌্যাম্প চালুর কথা থাকলেও সেগুলো না হওয়ায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ব্যবহার বাড়ছে না। প্রত্যাশিত টোলও পাওয়া যাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে র‌্যাম্প নির্মাণকাজ দ্রুততার সঙ্গে শেষ করতে চায় সিডিএ।

 

৯টি র‌্যাম্প হচ্ছে যেখানে: এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ১৫টি র‌্যাম্প নির্মাণ করার কথা ছিল। তবে ২০২৪ সালের আগস্টে ৬টি র‌্যাম্প বাদ দেওয়া হয়।

৯টির মধ্যে নিমতলা মোড়ে ওঠানামার দুটি র‌্যাম্প, টাইগারপাসে আমবাগানমুখী নামার একটি র‌্যাম্পের কাজ পুরোপুরি শেষ হয়েছে। ফকিরহাটে নামার একটি র‌্যাম্পের কাজ প্রায় ৯৩ শতাংশ শেষ হয়েছে। রেলওয়ে থেকে জায়গা বুঝে না পাওয়ায় আগ্রাবাদ ডেবারপাড়ে পতেঙ্গামুখী ওঠার র‌্যাম্পের কাজ এখনো শুরু করা যায়নি। জিইসি মোড়ে ওঠার র‌্যাম্পের নির্মাণকাজ প্রায় ৮৫ শতাংশ শেষ হয়েছে। চট্টগ্রাম ইপিজেডের সামনে ওঠানামার দুটি র‌্যাম্পের কাজ প্রায় ৭৫ শতাংশ শেষ হয়েছে। কর্ণফুলী ইপিজেডের সামনে ওঠার র‌্যাম্পের কাজ ৫০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।

জানতে চাইলে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রকল্প পরিচালক মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, ৯টি র‌্যাম্পের মধ্যে ৩টির কাজ পুরোপুরি শেষ। শুধুমাত্র আগ্রাবাদ ডেবারপাড়ের র‌্যাম্পটির কাজ শুরু হয়নি। বাকি র‌্যাম্পের কাজও অনেক এগিয়েছে। আমরা আশা করছি, সেপ্টেম্বরের মধ্যে চলমান র‌্যাম্পের কাজ শেষ হয়ে যাবে।
তিনি আরো বলেন, আগ্রাবাদ ডেবারপাড়ের র‌্যাম্প নির্মাণের জন্য রেলওয়ে আমাদের এখনো জমি বুঝিয়ে দেয়নি। জমি বুঝে পেলে আমরা কাজ শুরু করতে পারবো।

সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল করিম বলেন, ডেবারপাড়ের র‌্যাম্প নির্মাণের বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। রেলওয়ে থেকে ভূমি পেলে আমরা ওই র‌্যাম্পের নির্মাণ কাজ দ্রুত শুরু করতে পারবো।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ১১ জুলাই জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। তিন বছর মেয়াদি প্রকল্পের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছিল ৩ হাজার ২৫০ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। দুই দফা ব্যয় বৃদ্ধির পর এখন খরচ হচ্ছে ৪ হাজার ৩১৪ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। তিন বছর মেয়াদি এই প্রকল্পের কাজ ২০২০ সালের জুনে শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু কাজই শুরু হয়েছিল ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে। তিন দফা সময় বাড়িয়ে প্রকল্পের মেয়াদ বর্ধিত করা হয়েছে ২০২৬-এর জুন পর্যন্ত।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট

কমেন্ট বক্স
করোনাকালে বাড়লেও ক্রমেই কমছে স্টার্টআপে বিনিয়োগ, নীতি সহজ কর

করোনাকালে বাড়লেও ক্রমেই কমছে স্টার্টআপে বিনিয়োগ, নীতি সহজ কর