ঢাকা | বঙ্গাব্দ

সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা ও শিপিং এজেন্সির মালিকের কারাদণ্ড

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Sep 6, 2026 ইং
সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা ও শিপিং এজেন্সির মালিকের কারাদণ্ড ছবির ক্যাপশন: সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা ও শিপিং এজেন্সির মালিকের কারাদণ্ড
ad728
নিউজ ডেস্ক (চট্টগ্রাম)

চট্টগ্রামে আমদানিকরা পণ্য খালাসের মাধ্যমে ১০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৬২ টাকা ৬৪ পয়সা কাস্টমস ডিউটি ফাঁকির মামলায় চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা পি বি পাল ও কিংশিপ শিপিং এজেন্সির স্বত্বাধিকারী মির্জা মো. আহসানুজ্জামানকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় সাইফুল ইসলাম নামে অপর এক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এ রায় দেন।

রায়ে সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা পি বি পালকে দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় তিন বছরের এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাকে শুল্ক ফাঁকির টাকার ৫০ শতাংশ, অর্থাৎ ৫ লাখ ৪৮ হাজার ৮৩১ টাকা ৩২ পয়সা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

অপর আসামি মির্জা মো. আহসানুজ্জামানকে দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারায় এক বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সব ধারার সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে। তাকেও শুল্ক ফাঁকির টাকার ৫০ শতাংশ, ৫ লাখ ৪৮ হাজার ৮৩১ টাকা ৩২ পয়সা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, আসামিরা পারস্পরিক যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে জাল ও ভুয়া কাগজপত্র দাখিল এবং মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আমদানি করা পণ্য খালাস করেন। এর মাধ্যমে সরকারের ১০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৬২ টাকা ৬৪ পয়সা রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগে মামলাটি করা হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, মেসার্স ইউনিভার্সাল এন্টারপ্রাইজ ৭০ হাজার ৮০০ পিস ‘অর্ডিনারি মিনি প্লাস্টিক টর্চ লাইট’ আমদানি করে। পণ্য খালাসের জন্য কিংশিপ শিপিং এজেন্সির স্বত্বাধিকারী মির্জা মো. আহসানুজ্জামান বিল অব এন্ট্রিতে মিথ্যা ঘোষণা ও ভুল এইচএস কোড ব্যবহার করে কাগজপত্র দাখিল করেন।
তৎকালীন রাজস্ব কর্মকর্তা পি বি পাল ওই পণ্য শুল্কায়নের দায়িত্বে ছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি মিথ্যা ঘোষণার ভিত্তিতে কম শুল্ক নির্ধারণ করে পণ্য খালাসের সুযোগ করে দেন। পরবর্তী সময়ে পুনঃশুল্কায়নে প্রকৃত শুল্ক-কর নির্ধারণের পর ১০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৬২ টাকা ৬৪ পয়সা রাজস্ব ফাঁকির বিষয়টি ধরা পড়ে।

এ ঘটনায় ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে বন্দর থানায় মামলা করা হয়। পরে মামলাটি দুর্নীতি দমন কমিশনের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রমে আসে। মামলায় ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে দুর্নীতি দমন কমিশন, চট্টগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মুহম্মদ কবির হোসাইন ঢাকা পোস্টকে বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা পি বি পাল ও শিপিং এজেন্সির স্বত্বাধিকারী মির্জা মো. আহসানুজ্জামানকে বিভিন্ন ধারায় কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন। অপর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাকে খালাস দিয়েছেন।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট

কমেন্ট বক্স
ঠাকুরগাঁওয়ে ইত্যাদির শুটিংয়ে কী ঘটেছিল, জানালেন হানিফ সংকেত

ঠাকুরগাঁওয়ে ইত্যাদির শুটিংয়ে কী ঘটেছিল, জানালেন হানিফ সংকেত