নিউজ ডেস্ক (চট্টগ্রাম)
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দামামা বেজেছে। তফসিল ঘোষণার মাধ্যমে হুইসেল দিয়ে চলা শুরু করেছে নির্বাচনি ট্রেন। জমে উঠছে নির্বাচনি প্রচারণা। ওসমান হাদির ওপর হামলায় কিছুটা শঙ্কা তৈরি হলেও বসে নেই সম্ভাব্য প্রার্থীরা। চট্টগ্রাম-১০ আসনে দুই প্রবীণ প্রার্থীর সঙ্গে নির্বাচনি মাঠে আলোচনায় আছেন এক নবীন প্রার্থী।
এ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন হেভিওয়েট প্রার্থী দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। নগরীর ডবলমুরিং-পাহাড়তলী-হালিশহর-খুলশী-চান্দগাঁও আংশিক মিলে চট্টগ্রাম-১০ নির্বাচনি এলাকা। বিগত কয়েকটি নির্বাচনে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও এবার চট্টগ্রাম-১০ থেকে তাকে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি।
আসনটিতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর শামশুজ্জামান হেলালীকে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে জামায়াত। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলার প্রধান সমন্বয়কারী সাগুফতা বুশরা মিশমাকে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে। আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ধানের শীষ, শামশুজ্জামান হেলালী দাঁড়িপাল্লা, সাগুফতা বুশরা মিশমা লড়বেন শাপলা কলি প্রতীকে।
সরেজমিনে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিএনপির প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী হেভিওয়েট প্রার্থী। জাতীয় রাজনীতিতেও আমীর খসরুর ভালো প্রভাব রয়েছে। নির্বাচনে জয়ী হলে সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাও আছে। ভোটারদের মধ্যে বিএনপির জনপ্রিয়তার পাশাপাশি ব্যক্তিগত প্রভাবের বাড়তি সুবিধা নিয়েই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামছেন তিনি।

দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট