মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পবিত্র কোরআন হেফজ সম্পন্ন করে দস্তারে ফজিলত অর্জন করেছে ১৪ জন শিক্ষার্থী। এ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নবীন হাফেজদের পাশাপাশি তাঁদের মা বাবাকেও সম্মাননা প্রদান করে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের ডাকঘর এলাকায় অবস্থিত শাহ সুফি আলহাজ মাওলানা নূর আহমদ (রহ.) ইসলামী কমপ্লেক্স দাখিল মাদরাসা মাঠে এ দেখা মিলে এই ব্যতিক্রোমী আয়োজন।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিরা শিক্ষার্থীদের পাগড়ি পরিয়ে ও সম্মাননা স্মারক তুলে দিয়ে দস্তারে ফজিলত প্রদান করেন। একই সঙ্গে হাফেজদের গর্বিত মা বাবার হাতেও বিশেষ সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিরা নবীন হাফেজদের সম্মাননা স্মারক ও পাগড়ি পরিয়ে দেন। একই সঙ্গে তাঁদের মা-বাবার হাতে তুলে দেওয়া হয় বিশেষ সম্মাননা স্মারক।
মাদরাসা কমপ্লেক্স কমিটির সভাপতি ইমাম হোসেন বাবলুর সভাপতিত্বে এবং কারী মো. মূসার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুফিয়া নুরিয়া ফাজিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা রেজাউল করিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক এস এম হারুন, দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা শহিদুল ইসলাম, আবু জাফর সওদাগর, সাইদুল হক, আবুল মনসুর ও এনামুল হক ভূঁইয়া। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য শিক্ষক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা রেজাউল করিম নবীন হাফেজদের উদ্দেশ্যে বলেন, “কোরআন শুধু মুখস্থ রাখলেই হবে না, এর শিক্ষা ব্যক্তি জীবন, পরিবার ও সমাজে বাস্তবায়ন করতে হবে। একজন হাফেজ জাতির জন্য আলোর দিশারী। তাঁদের চরিত্র, আচরণ ও আমলের মাধ্যমে ইসলামের সৌন্দর্য ফুটে উঠতে হবে।”
বক্তারা বলেন, একজন সন্তান হাফেজ হওয়া কেবল তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, এটি পুরো পরিবারের জন্য গৌরবের বিষয়। মা-বাবার ত্যাগ, দোয়া ও সহযোগিতা ছাড়া এ অর্জন সম্ভব নয়। তাই হাফেজ সন্তানদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট