ফারুকুর রহমান বিনজু পটিয়া(চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি-টেকনাফ বাহাড়ছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো: রাশেদ
খান হত্যা মামলার আসামি পটিয়া উপজেলার হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের(৩)নং ওয়ার্ড পূর্ব হুলাইন গ্রামের লিয়াকত আলীর মৃত্যু দন্ড বহাল থাকায় আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠেন এলাকাবাসী।
উল্লেখ্য যে,২০২০ সালে ৩১জুলাই টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের বাহার ছড়া শামলাপুর তল্লাশীচৌকির পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক লিয়াকত আলী, টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশের নির্দেশে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহাকে গুলি করে হত্যা করেন।এতে সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়া ৫/৮/২০২০ তাং বাদী হয়ে কক্সবাজার আদালতে লিয়াকতকে প্রধান ও প্রদীপকে ২য় আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।মামলার তদন্ত ভার র্্যাবকে দেয়া হয়।৩১/১/২৫তাং লিয়াকত ও প্রদীপকে মৃত্যু দন্ড ৬জনকে যাবজ্জীবন,বাকীদের খালাস করে রায় প্রদান করে বিচারিক আদালত।বিচারিক আদালত রায়ের ২সাপ্তাহের মাথায়,খালাসের পাশাপাশি রায় বাতিল ও রুল চেয়ে হাইকোর্ট আপিল করেলে হাইকোর্ট আদালতের রায় বহাল রাখে।
গত বৃহস্পতিবার(২০/১১/২৫) রায় শুনে লিয়াকতের গ্রামের বাড়িতে খুশির বন্যা বয়ে যায়।
স্হানীয়রা জানান,লিয়াকত পুলিশে থাকাকালীন এলাকাবাসীকে কস্ট দিয়েছে।তার আচার আচরণে ক্ষুদ্ধ ছিলেন স্হানীয়রা।তার ছত্রছায়ায় মাদক ব্যবসা,অনিয়ম,বিশৃংখলা সৃষ্টি করত এলাকায়।পুলিশ তার লোকদের ধরে নিয়ে গেলে আবার লিয়াকতের মাধ্যমে জেল থেকে ফিরে আসে।লিয়াকতের দুই বিয়ে ১ম বিয়ে চন্দনাইশ থেকে করলে ও বেশী দিন ঠিকেনি।২য় বিয়ে বোয়ালখালী হতে করেন। তাতে ৯বছরের ১ছেলে আছে।

দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট