ঢাকা | বঙ্গাব্দ

এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে তীব্র ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Feb 15, 2026 ইং
এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে তীব্র ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে ছবির ক্যাপশন: এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে তীব্র ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে।
ad728
কামরুল সিফাতউল্লাহ  | চট্টগ্রাম 

নোয়াখালীর হাতিয়ায় এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে তীব্র ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার দুপুরে হামলায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর ওই নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেন। তবে তার এই অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিযুক্তদের মধ্যে বিপরীতমুখী বক্তব্য পাওয়া গেছে যা ঘটনাটিকে রহস্যজনক করে তুলেছে।
​অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার দৃষ্টিতে এই ধরনের ঘটনায় সত্য-মিথ্যা নির্ধারণে আধুনিক মেডিকেল সায়েন্স বা চিকিৎসা বিজ্ঞানই হতে পারে প্রধান সমাধান। দেশে বর্তমানে ডিএনএ প্রোফাইলিং এবং ফরেনসিক ল্যাবরেটরির যে প্রযুক্তি রয়েছে তাতে ধর্ষণের মতো অপরাধের অকাট্য প্রমাণ বের করা সম্ভব। ভুক্তভোগীর শরীর থেকে সংগৃহীত নমুনা এবং অভিযুক্তের ডিএনএ পরীক্ষা করলে মুহূর্তেই স্পষ্ট হয়ে যাবে এটি বাস্তব ঘটনা নাকি কোনো সাজানো প্রোপাগান্ডা। এছাড়া বলপ্রয়োগ বা ধস্তাধস্তির শারীরিক চিহ্ন ও ফরেনসিক আলামত বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ঘটনার সঠিক সময় ও ধরণ নিশ্চিত করতে পারেন।
​পুরো বিষয়টি এখন যথাযথ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ফরেনসিক রিপোর্ট এবং বৈজ্ঞানিক তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সত্য বেরিয়ে আসবে। সবাই যখন ঘটনাটিকে ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছেন, তখন সত্য উদঘাটনে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে মেডিকেল সায়েন্সের 'ফ্যাক্টস'। ভুক্তভোগীর শরীর থেকে সংগৃহীত ডিএনএ নমুনা ও ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমেই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব অভিযুক্ত ব্যক্তির সম্পৃক্ততা ছিল কি না। আধুনিক ফরেনসিক বিজ্ঞানে সাজানো ঘটনা বা 'ফ্যাব্রিকেটেড এভিডেন্স' শনাক্ত করা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।
​হাতিয়া থানা পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনও জানিয়েছে যে পুরো বিষয়টি এখন নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে। ফরেনসিক ল্যাবের বৈজ্ঞানিক তথ্যের ভিত্তিতে যে প্রতিবেদন তৈরি হবে, সেটিই হবে এই ঘটনার চূড়ান্ত ফলাফল। রাজনৈতিক প্রভাব বা ব্যক্তিগত আক্রোশের কোনো সুযোগ সেখানে নেই। ঘটনার গভীরে গিয়ে তদন্তের এই প্রক্রিয়াটি এখন চলমান, এবং খুব শীঘ্রই মেডিকেল সায়েন্সের অকাট্য প্রমাণের ভিত্তিতে দেশের মানুষ জানতে পারবে—এটি কি সত্যিই কোনো নৃশংস অপরাধ ছিল, নাকি স্রেফ রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের একটি প্রোপাগান্ডা।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট

কমেন্ট বক্স
অতীতের রাষ্ট্রপরিচালকেরা দুর্নীতি করে আঙুল ফুলে বটগাছ হয়েছেন

অতীতের রাষ্ট্রপরিচালকেরা দুর্নীতি করে আঙুল ফুলে বটগাছ হয়েছেন