ঢাকা | বঙ্গাব্দ

জনগণের কল্যাণে কাজ করতে না পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেবো : অধ্যক্ষ হেলালী

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Dec 9, 2025 ইং
জনগণের কল্যাণে কাজ করতে না পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেবো : অধ্যক্ষ হেলালী ছবির ক্যাপশন: অধ্যক্ষ হেলালী
ad728
নিউজ ডেস্ক (চট্টগ্রাম) 

চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী, নগর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী বলেছেন, “জনগণের অধিকার রক্ষা ও তাদের কল্যাণে কাজ করাই রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য। যদি কোনো সময় মনে হয় আমি জনগণের স্বার্থে কাজ করতে পারছি না, তবে প্রয়োজনে রাজনীতি ছেড়ে দেবো।”

৯ ডিসেম্বর বিকেলে নগরীর টেক্সটাইল–রুবি গেইট এলাকায় অনুষ্ঠিত গণসংযোগ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, মানুষের আস্থা অর্জন করতে হলে সততা, সেবা-মনোভাব এবং জবাবদিহিতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা জরুরি। রাজনীতিকে ক্ষমতার মাধ্যম নয়, বরং জনগণের দুঃখ–কষ্ট লাঘবের দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করা উচিত।

অধ্যক্ষ হেলালী আরও বলেন, এলাকার সাধারণ মানুষের সমস্যা, বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থান—এসব বিষয়ে বাস্তবসম্মত সমাধান নিশ্চিত করাই তার অঙ্গীকার। তিনি উল্লেখ করেন, উন্নয়ন তখনই অর্থবহ হয়, যখন সাধারণ মানুষ তা সরাসরি উপকৃত হয়। তাই জনগণের প্রত্যাশা ও চাহিদাকে কেন্দ্র করে কাজ করাই হবে তার রাজনৈতিক অঙ্গীকারের মূল ভিত্তি।

গণসংযোগ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পাঁচলাইশ থানা জামায়াতের আমীর ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল হাছান রুমি। উপস্থিত ছিলেন ৮ নম্বর শুলকবহর থানা জামায়াতের সেক্রেটারি শহিদুল্লাহ তালুকদার, ৭ নম্বর শুলকবহর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আনিছুর রহমান চৌধুরী, সাংগঠনিক ওয়ার্ড সভাপতি নুরুন্নবী সোহাগ, মাওলানা সফিকুল ইসলাম, হাফেজ শরিফুল ইসলাম, মাষ্টার মাইনুদ্দীন, মোহাম্মদ আলী, মোহাম্মদ নুর নবী, হাফেজ সেলিম উদ্দীনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী।

এলাকায় বাড়ি–বাড়ি গিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময়, সমস্যার খোঁজখবর নেওয়া এবং উন্নয়নসংক্রান্ত বিভিন্ন প্রস্তাবনা শোনার মাধ্যমে গণসংযোগ কর্মসূচি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। উপস্থিতদের সঙ্গে মতবিনিময়ে স্থানীয় উন্নয়ন সম্ভাবনা ও জনসেবামূলক কার্যক্রম নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট

কমেন্ট বক্স
আমি চুয়েটের শিক্ষার্থী, তাই আবেগ ও দায়বদ্ধতাও বেশি : চুয়েটের

আমি চুয়েটের শিক্ষার্থী, তাই আবেগ ও দায়বদ্ধতাও বেশি : চুয়েটের