ঢাকা | বঙ্গাব্দ

পটিয়া ওয়াসার ভূতড়ে বিলে গ্রাহকদের চরম ক্ষোভ।

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Sep 9, 2026 ইং
পটিয়া ওয়াসার ভূতড়ে বিলে  গ্রাহকদের চরম ক্ষোভ। ছবির ক্যাপশন: পটিয়া ওয়াসার ভূতড়ে বিলে গ্রাহকদের চরম ক্ষোভ।
ad728
ফারুকুর রহমান বিনজু -পটিয়া চট্টগ্রাম, প্রতিনিধি-চট্টগ্রামের পটিয়ায়,চট্টগ্রাম পানি সরবরাহ ও পয়ো নিস্কাশন কতৃপক্ষ (ওয়াসা)র ভুতড়ে বিল(অতিরিক্ত বিল)পেয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ ও অভিযোগ করেন গ্রাহকগণ।
বুধবার(৯ই সেপ্টম্বর)ওয়াসার অফিস কার্য্যলয়ে গিয়ে দেখা যায় এখন ও অতিরিক্ত বিলের অভিযোগ নিয়ে গ্রাহকরা ঘুরছেন।গ্রাহকরা জানান, অনেকের মিটার নষ্ট তাদের এক এক জনের বিল আসে ১০ হতে ৫০হাজার টাকা।মিটার নষ্ট ৩/৪মাস ধরে, কিন্তু বিল দিল ৪গুণের অধিক।অনেকই সংযোগ নেয়ার শুরু থেকেই প্রথম বিল ৮০হাজার,১লাখ, ১লাখ ৭শ বিশ টাকা বিল দিয়েছে।ওয়াসার সূত্রে জানা যায়,গত সেপ্টম্বর ২০২৩ হতে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজারের মত পৌরসভায় সংযোগ দেয়া হয়।এ বছরের আগষ্ট মাস হতে পৌরসভা গ্রাহকদের প্রথম বিল বিতরণ করা হয়।গ্রাহকদের হাতে বিল পৌছুতে অতিরিক্ত বিলের অভিযোগ আসতে থাকে।প্রত্যেকই অতিরিক্ত বিলের অভিযোগ নিয়ে ওয়াসা অফিসে ভীড় করতে দেখা যায়। 
পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা শওকত একসাথে ৭০হাজার টাকার বিল পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েন।একসাথে এত টাকা কোথায় পাবে? পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের হারুন সওদাগর সাধারণ ব্যবসায়ী ৮০হাজার টাকা।পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড রাজমিস্ত্রী জসিম উদ্দীন ৪০হাজার টাকা।ওয়াসার এই ভূতড়ে বিল পেয়ে হতশাগ্রস্হ গ্রাহকরা এখন বড়ই বিপাকে পড়ছেন।বিএনপির নেতা নাছির উদ্দীন গ্রাহকদের পক্ষ হয়ে কতৃপক্ষের সাথে এই ভূতড়ে বিল নিয়ে আলোচনা করেন।
পটিয়া ওয়াসার নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া শাকিল জানান,নিচু জায়গায় মিটার বসানোর ফলে অধিকাংশ মিটার বৃষ্টির পানিতে ডুবে নস্ট হয়ে যায়।সেই সব মিটার সনাক্ত করে অপসারণের ব্যবস্হা নেয়া হচ্ছে।অতিরক্ত বিলের সমস্যাটি রাজস্ব বিভাগের।তারপরও গ্রাহকদের সুবির্ধাথে কোন ব্যবস্হা গ্রহণ করা যায় কিনা চেষ্টা করবো।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট

কমেন্ট বক্স