ঢাকা | বঙ্গাব্দ

গ্রামীণফোনের সহযোগিতায় চট্টগ্রামে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বইপড়া পুরস্কার উৎসব

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 28, 2026 ইং
গ্রামীণফোনের সহযোগিতায় চট্টগ্রামে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বইপড়া পুরস্কার উৎসব ছবির ক্যাপশন: গ্রামীণফোনের সহযোগিতায় চট্টগ্রামে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বইপড়া পুরস্কার উৎসব
ad728
মুহিবুল হাসান রাফি, চট্টগ্রাম। 



 বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের আয়োজনে ও গ্রামীণফোনের সহযোগিতায় নগরীর জিইসি কনভেনশন সেন্টারে আজ দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য পুরস্কার বিতরণ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগরীর ১০১টি স্কুলের মোট ৫ হাজার ৮৯৫ জন কৃতী বইপড়ুয়া শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। অন্যান্য অতিথির মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ও দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি প্রকল্পের পরিচালক মোঃ বিল্লাল হোসেন খান, আইসিএবির প্রথম নারী সভাপতি ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি পারভীন মাহমুদ এফসিএ, স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির সাবেক ভিসি ও কেন্দ্রের ট্রাস্টি অধ্যাপক মুহাম্মাদ আলী নকী, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ডা. আবদুন নূর তুষার, সিটি করপোরেশনের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আবদুল আজিজ, ছড়াকার অরুণ শীল, গ্রামীণফোন চট্টগ্রামের রিজিওনাল হেড মোঃ মিনহাজ উল আলম এবং বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র চট্টগ্রাম মহানগরের সংগঠক অধ্যাপক আলেক্স আলীম।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, বই আমাদের অতীত ও ভবিষ্যতের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে। মনুষ্যত্ব জাগ্রত করতে বই পড়তে হবে। শুধু পড়া নয়, এর শিক্ষা ও মূল্যবোধ ধারণ করে যোগ্য ও মানবিক নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠে দেশের সেবায় নিয়োজিত হতে হবে।

মোঃ বিল্লাল হোসেন খান বলেন, আলোকিত মানুষ হতে হলে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। সুস্থ মস্তিষ্কের বইপড়ুয়া হয়ে জ্ঞান, মনন ও মানবিক মূল্যবোধ সমৃদ্ধ করতে হবে।

পারভীন মাহমুদ এফসিএ বলেন, নিজেকে জানতে হবে, স্বপ্ন দেখতে হবে এবং তা পূরণে নিরন্তর ছুটে চলতে হবে। বই পড়ার মাধ্যমে মানুষ নিজেকে জানার ও যাচাই করার সুযোগ পায়।তিনি নিয়মিত বই পড়ে চিন্তা, মনন ও মূল্যবোধ সমৃদ্ধ করার আহ্বান জানান।

অধ্যাপক মুহাম্মাদ আলী নকী বলেন, বই পড়ে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি জানা যায়। মোবাইলের অপব্যবহার রোধ করে নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুললে জ্ঞান ও মননের বিকাশের পাশাপাশি নিজেকে জানার কার্যকর মাধ্যম তৈরি হবে।

গ্রামীণফোনের মোঃ মিনহাজ উল আলম বলেন, তরুণরাই আগামীর ভবিষ্যৎ। গত দুই দশক ধরে গ্রামীণফোন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের এই উদ্যোগের সহযাত্রী। আলোকিত প্রজন্ম গড়তে বইপড়ার পাশাপাশি নিরাপদ, দায়িত্বশীল ও সচেতন ইন্টারনেট ব্যবহারের বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। তিনি বিজয়ীদের অভিনন্দন জানান।

স্বাগত বক্তব্যে অধ্যাপক আলেক্স আলীম অতিথিদের শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানান। শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও সংগঠকদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি গ্রামীণফোনকে সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং আগামীতে আরও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

এ বছর প্রথমবারের মতো ‘অনলাইন সেফটি ফান্ডামেন্টালস’ কোর্স চালু করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে ৪৬১৬ জন ‘শুভেচ্ছা’, ১১৫০ জন ‘অভিনন্দন’ এবং ১২৯ জন ‘সেরা পাঠক’ ক্যাটাগরিতে সম্মানিত হন। পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে ছেলে ১৭৫২ জন ও মেয়ে ৪১৪৩ জন। ৯৪টি স্কুলের শিক্ষার্থীরা সরাসরি মঞ্চ থেকে এবং বাকিদের পুরস্কার স্কুল সংগঠকের মাধ্যমে দেওয়া হয়।গ্রামীণফোন উৎসবের সার্বিক আয়োজন ও পুরস্কারের বই স্পন্সর করেছে।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
করোনাকালে বাড়লেও ক্রমেই কমছে স্টার্টআপে বিনিয়োগ, নীতি সহজ কর

করোনাকালে বাড়লেও ক্রমেই কমছে স্টার্টআপে বিনিয়োগ, নীতি সহজ কর