ঢাকা | বঙ্গাব্দ

সাজেকে ছয়দিন পর নেটওয়ার্ক স্বাভাবিক সেনাবাহিনীর পদক্ষেপে ফিরল স্বস্তি

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Nov 16, 2025 ইং
সাজেকে ছয়দিন পর নেটওয়ার্ক স্বাভাবিক সেনাবাহিনীর পদক্ষেপে ফিরল স্বস্তি ছবির ক্যাপশন: সাজেকে ছয়দিন পর নেটওয়ার্ক স্বাভাবিক, সেনাবাহিনীর পদক্ষেপে স্বস্তি ফিরল
ad728
প্রবীর সুমন
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি 

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার জনপ্রিয় পাহাড়ি পর্যটনকেন্দ্র সাজেকে টানা ছয়দিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে মোবাইল নেটওয়ার্ক পুনরায় সচল হয়েছে। 

দুষ্কৃতিকারীদের উদ্দেশ্যমূলক নাশকতায় ফাইবার অপটিক কেবল কেটে দেওয়ার কারণে পুরো অঞ্চল দীর্ঘ সময় যোগাযোগবিচ্ছিন্ন থাকলেও বাঘাইহাট সেনা জোনের দ্রুত ও সমন্বিত কার্যকর পদক্ষেপে আবারো ফিরেছে স্বাভাবিকতা। নেটওয়ার্ক ফিরে পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, পর্যটক ও ব্যবসায়ীরা।

গত (১০ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৫টা ৩০ মিনিটে সাজেকের শুকনোছড়া ও করেঙ্গাতলী এলাকায় দুষ্কৃতিকারীরা পরিকল্পিতভাবে ফাইবার অপটিক কেবল কেটে দেয়। মুহূর্তেই সাজেক ইউনিয়নের বাঘাইহাট, গঙ্গারাম, শুকনোছড়া এবং বঙ্গলতলী ইউনিয়নের একাধিক এলাকা পুরোপুরি মোবাইল নেটওয়ার্কবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

ব্যবসায়ীরা অনলাইন লেনদেন, বুকিং ও পেমেন্ট করতে না পেরে বিপাকে পড়েন, স্থানীয় জনগণ জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে না পেরে দুর্ভোগে পড়েন, অভিভাবকরা দূরে থাকা সন্তান-স্বজনদের খবর নিতে না পেরে দুশ্চিন্তায় থাকেন,


যোগাযোগহীনতার কারণে অনলাইন নেভিগেশন, গাড়ি ভাড়া, হোটেল বুকিংসহ জরুরি পরিষেবায় অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়। পাহাড়ি এই দুর্গম এলাকায় নেটওয়ার্ক না থাকায় নিরাপত্তা সম্পর্কিত উদ্বেগও বাড়তে থাকে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে (১৬ নভেম্বর) দুপুর ৩টা ৫০ মিনিটে বাঘাইহাট জোনের ভারপ্রাপ্ত জোন কমান্ডার মেজর এম এম জিল্লুর রহমান এর নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর স্কট টিম শুকনোছড়া এলাকায় প্রবেশ করে।
দুর্গম পাহাড়ি পথ অতিক্রম করে সেনা সদস্যরা ত্রুটিপূর্ণ কেবল শনাক্ত করেন। পরে দ্রুততার সঙ্গে মেরামত সম্পন্ন করে পুনরায় নেটওয়ার্ক সংযোগ সচল করেন।

সেনাবাহিনীর এই সময়োপযোগী পদক্ষেপে অচল যোগাযোগ ব্যবস্থা আবারো জীবন ফিরে পায়। নেটওয়ার্ক ফিরে আসার সঙ্গে সঙ্গে সাজেকে স্বস্তির হাওয়া বইতে শুরু করে।
ব্যবসা-বাণিজ্য স্বাভাবিক হচ্ছে, পর্যটকরা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন, স্থানীয়রা ফিরে পেয়েছেন জরুরি পরিষেবার সুবিধা।

স্থানীয়রা জানান, যখন পুরো সাজেক যোগাযোগবিচ্ছিন্ন হয়ে উদ্বেগে ছিল, তখন সেনাবাহিনীই এগিয়ে এসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করলো। তাদের দ্রুত পদক্ষেপ না থাকলে ভোগান্তি আরও বাড়তো।”

সেনাবাহিনীর এই সময়োপযোগী ও কার্যকর উদ্যোগ প্রমাণ করেছে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলেও জনগণের নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় তারা সবসময় সতর্ক, প্রস্তুত ও দায়িত্বশীল।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
‘আমি ভয়ও পাচ্ছি, কারণ ইসরায়েলিদের বিশ্বাস করি না’

‘আমি ভয়ও পাচ্ছি, কারণ ইসরায়েলিদের বিশ্বাস করি না’